শুরুতে কিছু কথাঃ
এই ব্লগটিকে সাজেশন বললে ভুল হবে। কারন এখানে আমি কোনো সংক্ষিপ্ত বা শর্টকাট এমন কিছু দিয়ে রাখিনি যা থেকে হুবহু পরীক্ষায় কমন আসবে। শর্টকাট কোনো সাজেশন বলতে নিজ অনুমানের উপর নির্ভর করে কিছুটা আন্দাজ করে যেকোনো বিষয়ে লেখাকে বুঝায়। কিন্তু আমি এরকম ধরণের সাজেশনকে যথেষ্ঠ যুক্তিযুক্ত বা কার্যকরী মনে করি না। এতে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তার চেয়ে বরং রিসার্স করে সাজিয়ে গুছিয়ে টেকনিক্যালি একটু বেশি সময় নিয়ে পড়লেও সেটা বেশি উপযুক্ত হবে বলে আমি মনে করি।
এখানে, 'পর্যায় সারণি' অধ্যায়ের বহুনির্বাচনী (MCQ) প্রশ্ন নিয়ে লেখা হয়েছে। বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন বোর্ড, শীর্ষ স্থানীয় স্কুলের টেস্ট পরীক্ষা ও মাস্টার ট্রেইনার কর্তৃক প্রণীত বিভিন্ন প্রশ্নে এই অধ্যায় থেকে এখন পর্যন্ত যত ধরণের MCQ এসেছে সেগুলো এবং এর সাথে পাঠ্য বই যাচাই-বাছাই করে সব ধরণের টপিক আলাদা ভাবে একত্রিত করার চেষ্টা করেছি।
সাধারণত গাইডগুলোতে একসাথে শত শত MCQ দেয়া থাকে এবং সেগুলো বার বার রিপিট হতে থাকে। তাই একই টপিকের উপর ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারবার প্রশ্ন থাকার কারনে শিক্ষার্থীদের জন্য মূল কন্সেপ্ট ক্যাচ করা কঠিন হয়ে পরে। এজন্য আমি দীর্ঘ সময় নিয়ে এই অধ্যায় থেকে MCQ এর সবগুলো বিষয়কে আলাদা আলাদা ভাবে ব্যাখ্যা সহ উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। আশা করি কোনো শিক্ষার্থী এই ব্লগের সবগুলো টপিক সঠিক ভাবে প্রাকটিস করলে যেকোনো পরীক্ষায় ৯৭ থেকে ১০০ শতাংশ MCQ কমন পাবে, ইন শা আল্লাহ।
[ব্লগটি স্বচ্ছ ও কার্যকরী হওয়ার জন্য আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তারপরও কোথাও কোনো ভুল-ত্রুটি দেখলে অথবা আপডেট বা ইম্প্রুভ করা উচিত এমন কিছু পেলে অনুগ্রহ করে কমেন্ট বক্সে জানানোর অনুরোধ রইলো।]
- ওবায়দুল হাসান নাঈম
সরাসরি পাঠ্যবই থেকে যা যা পড়তে হবে
পাঠ্যবই থেকে পড়ার জন্য এই পিডিএফ এর ৪র্থ অধ্যায়ে গিয়ে দাগানো (আন্ডারলাইন করা) অংশগুলো এবং এই টাইপের অন্যান্য প্রশ্ন গুলো খুব ভালো করে দেখবে।
পিডিএফ-টি দেখতেঃ Click Here
বিঃ দ্রঃ
এই পিডিএফ এ যে অংশ গুলো লাল দাগ দিয়ে আন্ডারলাইন করা আছে সেগুলো বিগত বছরের বিভিন্ন বোর্ড পরীক্ষায় এসেছে। আর যেগুলো গোলাপী দাগ দিয়ে আন্ডারলাইন করা আছে সেগুলো বিগত বছরের বিভিন্ন শীর্ষ স্থানীয় স্কুলের টেস্ট পরীক্ষায় এসেছে।
এছাড়া আরও পড়বেঃ
🔲 ৬১ পৃষ্ঠায় 4.1 এর ‘পর্যায় সারণির পটভূমি’ অংশটি
🔲 ৬৪ পৃষ্ঠায় 4.2 এর ‘পর্যায় সারণির বৈশিষ্ট্য’ অংশটি
এখান থেকে যেভাবে প্রশ্ন হতে পারেঃ
Q. ৬ষ্ঠ পর্যায়ে কতটি মৌল আছে?
A. 32টি
Q. ৩য় গ্রুপে কতটি মৌল আছে?
A. 32টি
🔲 এছাড়া ল্যান্থানাইড ও অ্যাক্টিনাইড সারি থেকে প্রশ্ন হতে পারে।
যেমনঃ
ল্যান্থানাইড সারিতে,
সর্বপ্রথম মৌলঃ La(57)
সর্বশেষ মৌলঃ Lu(71)
মোট মৌলঃ 15টি
অ্যাক্টিনাইড সারিতে,
সর্বপ্রথম মৌলঃ Ac(89)
সর্বশেষ মৌলঃ Lr(103)
মোট মৌলঃ 15টি
দুটো সারি মিলিয়ে মোট মৌলঃ 30টি
এই সারি দুটো ৬ ও ৭ নং পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত।
এই সারি দুটো ২নং গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত।
🔲 ৬৬ পৃষ্ঠায় 4.3 অংশটি থেকে কোনো মৌলের অবস্থান নির্ণয়ের উপায়গুলো জানতে হবে।
[পাঠ্যবই থেকে উপরের টপিকগুলো পড়ার পরে নিচের টপিকগুলো প্রাকটিস করতে হবেঃ]
পারমানবিক সংখ্যা
🔲 নিচের মৌলগুলোর পারমানবিক সংখ্যা মুখুস্থ করতে হবেঃ
> ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত পারমানবিক সংখ্যা বিশিষ্ট মৌলগুলো
> নিষ্ক্রিয় গ্যাস অর্থাৎ ১৮নং গ্রুপের মৌলগুলো
🔲 আরও কিছু মৌলের পারমানবিক সংখ্যা মুখস্থ রাখতে হবে। যেমনঃ
As (আর্সেনিক) - 33
Br (ব্রোমিন) - 35
Ag (সিলভার) - 47
I (আয়োডিন) - 53
Ir (ইরিডিয়াম) - 77
Au (গোল্ড) - 79
Hg (মার্কারি) - 80
Pb (লেড) - 82
Mt (মিটরেনিয়াম) - 109
যেভাবে প্রশ্ন আসতে পারেঃ
সরাসরি মৌলের পারমানবিক সংখ্যা জিজ্ঞাসা করতে পারে।
যেমনঃ
Q. গোল্ড এর পারমানবিক সংখ্যা কত?
A. 79
Q. 80 পারমানবিক সংখ্যা বিশিষ্ট মৌলের নাম কী?
A. মার্কারি (Hg)
পারমানবিক ভর
🔲 ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত পারমানবিক সংখ্যা বিশিষ্ট মৌলগুলোর ভর সংখ্যা মুখুস্থ রাখতে হবে।
যেভাবে প্রশ্ন আসতে পারেঃ
সরাসরি মৌলের ভর সংখ্যা জিজ্ঞাসা করতে পারে।
যেমনঃইলেকট্রন বিন্যাস
🔲 ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত পারমানবিক সংখ্যা বিশিষ্ট মৌলগুলোর ইলেকট্রন বিন্যাস ভালো করতে জানতে হবে।
🔲 ব্যতিক্রমধর্মী মৌলগুলোর ইলেকট্রন বিন্যাস কারন সহ জানতে হবে।
বিশেষ করে এই মৌলগুলো অবশ্যইঃ K(19), Sc(21), Cr(24), Cu(29)
🔲 কোনো মৌলের নির্দিষ্ট কোনো উপশক্তিস্তরের ইলেকট্রন বিন্যাস কেমন তা জিজ্ঞাসা করতে পারে। যেমনঃ
Q. K এর 19 তম ইলেকট্রনটি যে উপশক্তিস্তরে প্রবেশ করে তার ইলেকট্রন বিন্যাস কী?
A. 4S^1
🔲 নির্দিষ্ট কোনো শক্তিস্তরে (১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ) বা শেলে (K, L, M, N) কতটি ইলেকট্রন আছে সেটি জিজ্ঞাসা করতে পারে।
যেমনঃ
Q. Cr(24) এর ৩য় শক্তিস্তরে কতটি ইলেকট্রন আছে?
A. 13টি
Q. Sc(21) এর ৩য় শক্তিস্তরে কতটি ইলেকট্রন আছে?
A. 9টি
আবার,
Q. Cr(24) এর M শেলে কতটি ইলেকট্রন আছে।
A. 13টি
Q. Xe(54) এর N শেলে কতটি ইলেকট্রন আছে।
A. 18টি
🔲 নির্দিষ্ট কোনো ইলেকট্রন কোন শক্তিস্তরে বা উপশক্তিস্তরে অবস্থান করে এ সম্পর্কে প্রশ্ন হতে পারে।
যেমনঃ
Q. Zn এর সর্বশেষ ইলেকট্রনটি কোন উপশক্তিস্তরে প্রবেশ করে?
A. d উপশক্তিস্তরে
Q. K এর 19 তম ইলেকট্রনটি কোন শক্তিস্তরে এবং কোন উপশক্তিস্তরে প্রবেশ করে?
A. ৩য় শক্তিস্তরে এবং 3d উপশক্তিস্তরে
🔲 আয়ন সমূহের ইলেকট্রন বিন্যাস জানতে হবে।
যেমনঃ
Ca2+(18) = [আর্গনের ইলেকট্রন বিন্যাসের মতো]
Al3+(10) = [নিয়নের ইলেকট্রন বিন্যাসের মতো]
পর্যায় সারনীতে মৌলের অবস্থান নির্ণয়
এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর পারার জন্য পাঠ্য বইয়ের ৬৬ পৃষ্ঠার 4.3 অংশটি ভালো করে দেখতে হবে।
বিশেষ করে নিচের মৌলগুলোর অবস্থান নির্ণয় (পর্যায় ও গ্রুপ সংখ্যা) ভালো করে জানতে হবে।
Be, Mg, P, S, Cl, K, Ca, Cr, Fe, Co, Ni, Zn, Sr, Pb
🔲 মৌলের কোনো একটি শক্তিস্তরের ইলেকট্রন সংখ্যা বলে দিয়ে এর অবস্থান (পর্যায় বা গ্রুপ) জিজ্ঞাসা করতে পারে।
যেমনঃ
Q. একটি মৌলের সর্ববহিঃস্থ স্তরে ইলেকট্রন সংখ্যা 8টি হলে এটি পর্যায় সারনীর কোন গ্রুপে অবস্থিত?
A. 18
Q. একটি মৌলের ৩য় শক্তিস্তরে ৩টি ইলেকট্রন আছে। এর গ্রুপ কত?
A. 3
🔲 মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস দিয়ে অবস্থান জিজ্ঞাসা করতে পারে।
যেমনঃ
Q. একটি মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস 2, 8, 18, 8, 2 হলে পর্যায় সারনীতে এটি কোথায় অবস্থান করে?
A. ৫ম পর্যায়ের ২য় গ্রুপ
অবস্থান্তর মৌল
গ্রুপ-৩ থেকে ১১ পর্যন্ত মৌলগুলো অবস্থান্তর মৌল।
Important: Fe(28), Ni((28)
🔲 যেভাবে প্রশ্ন হতে পারেঃ
Q. কতগুলো মৌল দিয়ে বলতে পারে এদের মধ্যে কোনটি অবস্থান্তর মৌল?
🔲 অবস্থান্তর মৌলের প্রধান কয়েকটা বৈশিষ্ট্য জানতে হবে
যেমনঃ
- এদের নিজস্ব বর্ণ আছে
- এসব মৌল দ্বারা গঠিত যৌগ আয়নিক
- এরা পরিবর্তনশীল যোজ্যতা প্রদর্শন করে
ইলেকট্রন সংখ্যা গণনা
🔲 কোনো যৌগে উপস্থিত পরমানু সমূহের কয়টি করে ইলেকট্রন আছে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পারে।
যেমনঃ
CaS = Ca- 18 টি, S-18টি (উভয় পরমানুই Ar এর ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে)
MgO = Mg- 10টি, O-10টি (উভয় পরমানুই Ne এর ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে)
NaCl = Na-10টি, Cl-18টি
KF = K-18টি, F-10টি
🔲 কোনো আয়নে উপস্থিত ইলেকট্রন সংখ্যা জিজ্ঞাসা করতে পারে।
Ca+2 = 18টি [Ar এর ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে]
F- = 10টি [Ne এর ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে]
Al+3 = 10টি [Ne এর ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে]
Mg+2 = 10টি [Ne এর ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে]
Fe+2 = 24টি [Cr এর ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে]
মৌলের নাম নির্ণয়
🔲 কোনো গ্রুপ বা পর্যায়ের ধারাবাহিক কয়েকটি মৌলের প্রতীক উঠিয়ে এদের মধ্যে এক / একাধিক মৌলের প্রকৃত প্রতীক উহ্য রেখে বলতে পারে এই মৌলটির নাম কী?
যেমনঃ K, A, Sc, Ti, V এখানে, A এর নাম কী? Ans: Ca
H, Li, X, K, Rb এখানে X মৌলের নাম কী? Ans: Na
এই ধরণের প্রশ্নের উত্তর পারার জন্য
কোন গ্রুপে কোন মৌলগুলো আছে সে সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ছন্দ ব্যবহার করে মৌলগুলোর নাম মুখুস্থ করা যেতে পারে।
এজন্য এই আর্টিকেলটি পড়তে পারো।
ধাতু ও অধাতু
🔲 কোনটি অভিজাত ধাতু? এভাবে প্রশ্ন হতে পারে।
অভিজাত ধাতু মোট ৩টি।
Ag, Au, Pb (আজ সোনা পাবে)
🔲 কোনটি মুদ্রা ধাতু? এভাবে প্রশ্ন হতে পারে।
গ্রুপ-11 এর মৌল Cu, Ag ও Au মুদ্রা ধাতু। (কোথায় আজ আমি)
🔲 ধাতু / অধাতু উভয়ের বৈশিষ্ট্য বহন করেঃ (অপধাতু)
Ge, Bi, Si, As, Sb, Te, B
(জি বিয়াই শিগগির আসেন, সাবধানে টুলে বসেন)
🔲 কোনটি ধাতু / অধাতু? এভাবে প্রশ্ন হতে পারে।
ধাতু চেনার প্রধান কয়েকটি উপায়ঃ
১. অধিকাংশ ক্ষেত্রে যেসব মৌলের নামের শেষে 'আম' শব্দটি থাকে তারা ধাতু হয়। (তবে সব ক্ষেত্রে নয়)
যেমনঃ সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, স্ট্রনসিয়াম ইত্যাদি ধাতু।
২. সাধারণত পর্যায় সারণীর বাম দিকের মৌল সমূহ ধাতু এবং ডান দিকের মৌল সমূহ অধাতু।
৩. যেসব মৌল স্থিতিশীল হওয়ার জন্য ইলেকট্রন ত্যাগ করে তারা ধাতু।
যেমনঃ Na স্থিতিশীল হওয়ার জন্য এর 11টি ইলেকট্রন থেকে 1টি ত্যাগ করে এবং Ne(11) এর ইলেকট্রন বিন্যাসের মতো রুপ লাভ করে। তাই Na একটি ধাতু।
🔲 অধাতু চেনার উপায়ঃ
অধাতুর নিয়মগুলো হবে ধাতুর নিয়মের বিপরীত। তাই যেসব মৌল ধাতু হবে না তারাই অধাতু।
🔲 ধাতু/অধাতু থেকে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন হয় এরকম কিছু মৌলঃ
ধাতুঃ Na, Mg, Al
অধাতুঃ C
🔲 কোনটি মৃৎক্ষার ধাতু?
গ্রুপ-2 এর মৌলগুলো মৃৎক্ষার ধাতু।
অর্থাৎ Be, Mg, Ca, Sr, Ba, Ra (বিনা মেঘনা কনা স্যারের বাসায় রাঁধে)
যোজনী
🔲 কিছু কিছু গ্রুপের মৌলগুলোর যোজনী জানতে হবে।
যেমনঃ
Group-1: এর মৌলগুলোর যোজনী 1
Group-2: 2
Group-17: 1
Group-18 বা নিষ্ক্রীয় গ্যাসের 0
এক পরমানুক ও দ্বি পরমানুক মৌল
সাধারণত Group-18 এর মৌল গুলো এক পরমানুক। He, Ne, Ar, Kr, Xe, Rn
সাধারণত Group-17 এর মৌলগুলো দ্বারা গঠিত যৌগ দ্বিপরমাণুক। F2, Cl2, Br2, I2
সক্রীয়তা
🔲 ক্ষার ধাতু সমূহের সক্রীয়তার ক্রমঃ
Fr > Cs > Rb > K > Na > Li > He
যার আয়নিকরন শক্তি বা ইলেকট্রন ত্যাগ করার প্রবণতা তুলনামূলক বেশি তার সক্রীয়তা ততো বেশি।
পর্যাবৃত্ত ধর্ম
পর্যাবৃত্ত ধর্ম বলতে চার ধরনের ধর্মকে বোঝায়।
১. ধাতব ধর্ম
২. পারমানবিক আকার / পারমানবিক ব্যাসার্ধ
৩. আয়নিকরন শক্তি / আয়নিকরন বিভব / আয়নিকরন পটেনশিয়াল
৪. তড়িৎ ঋণাত্নকতা / ইলেকট্রোনেগিটিভিটি
🔲 এই অংশ থেকে MCQ পারার জন্য শুধুমাত্র নিচের লাইন তিনটা মনে রাখতে হবে।
একই পর্যায়ের বাম থেকে ডানে গেলে পারমানবিক আকার ও ধাতব ধর্ম হ্রাস পায়;
এবং, একই গ্রুপের উপর থেকে নিচে গেলে পারমানবিক আকার ও ধাতব ধর্ম বৃদ্ধি পায়।
বাকী সবগুলোর ক্ষেত্রে (আয়নিকরন শক্তি / ইলেকট্রন আসক্তি / তড়িৎ ঋণাত্নকতা) এই নিয়মের বিপরীত।
যেভাবে প্রশ্ন হতে পারেঃ
> কতগুলো মৌল দিয়ে বলবে এদের মধ্যে কোনটির তড়িৎ ঋণাত্মকতা সবচেয়ে বেশি বা কম?
যেমনঃ
Q. Al, Si, P, S, Cl এদের মধ্যে কোনটির তড়িৎঋণাত্নকতা সবচেয়ে বেশি?
A. Cl
এভাবে অন্য যেকোনো পর্যাবৃত্ত ধর্ম থেকে প্রশ্ন হতে পারে।
নিচের মৌলগুলো থেকে তড়িৎ ঋণাত্নকতা দিয়ে বেশি প্রশ্ন আসেঃ
F, S, O, N, Cl, Ca
নিচের মৌলগুলো থেকে পারমানবিক আকার দিয়ে বেশি প্রশ্ন আসেঃ
K, Si, P, Na, Al, Mg, S, Cl, Ca, Be, Li
নিচের মৌলগুলো থেকে আয়নিকরন শক্তি দিয়ে বেশি প্রশ্ন আসেঃ
Li, K
ত্রয়ী সূত্র
সূত্রঃ ১ম ও ৩য় মৌলের গড় ভর ২য় মৌলের সমান হবে।
🔲 যেভাবে প্রশ্ন হতে পারেঃ
Q. কোন মৌলগুলোর সেট ত্রয়ী সূত্রকে সমর্থন করে?
i) Cl Br I
ii) Li Na K
A. উভয়ইকোন গ্রুপে কোন ধর্মের মৌল থাকে?
Group-1: ক্ষার ধাতু
Group-2: মৃৎক্ষার ধাতু
Group- 3 থেকে 11: অবস্থান্তর মৌল
Group-11: অভিজাত ধাতু ও মুদ্রা ধাতু
Group- 12 থেকে 17: অধাতু (সাধারণত)
Group-17: হ্যালোজেন
Group-18: নিষ্ক্রীয় গ্যাস / অভিজাত গ্যাস
উপরের টপিকগুলো ছাড়াও আরও কিছু টপিকের উপর প্রশ্ন হতে পারেঃ
যেমনঃ
🔲 কোনো মৌলের নিকটস্থ নিষ্ক্রীয় গ্যাস
F এর নিকটস্থ নিষ্ক্রীয় গ্যাস Ne
Sc এর নিকটস্থ নিষ্ক্রীয় গ্যাস Ar