Showing posts with label SSC. Show all posts
Showing posts with label SSC. Show all posts

Friday, March 11, 2022

পারমানবিক আকার থেকে যত উপায়ে সৃজনশীল প্রশ্ন হতে পারে | পর্যায় সারণি | রসায়ন | ৪র্থ অধ্যায় | ৯ম-১০ম শ্রেণি
পারমানবিক আকার কী?

পারমানবিক আকার হচ্ছে মৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্মগুলোর মধ্যে একটি। 

পরমানুর নিউক্লিয়াস থেকে এর যোজ্যতা স্তর বা সর্বশেষ শক্তিস্তর পর্যন্ত দূরত্বকে পারমানবিক আকার বা পারমানবিক ব্যাসার্ধ বলে। 


পারমানবিক আকার এর পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কেমন?

একই পর্যায়ের বাম থেকে ডানে গেলে পারমানবিক আকার হ্রাস পায় এবং একই গ্রুপের উপর থেকে নিচে গেলে বৃদ্ধি পায়। 

কারণঃ

আমরা জানি, পরমানুর নিউক্লিয়াসকে এর বাহিরের শক্তিস্তরের ইলেকট্রনগুলো আকর্ষন করতে থাকে। ইলেকট্রন সংখ্যা যত বেশি হয়, আকর্ষন শক্তি তত বেশি হয়। আর আকর্ষন যত বেশি হয় ইলেকট্রনগুলো ততোই নিয়ক্লিয়াসের দিকে ঝুঁকে যেতে থাকে। অর্থাৎ পরমানুর আকার ছোট হতে থাকে। 

পর্যায় সারণিতে একই পর্যায়ের বাম থেকে ডানে যাওয়ার সাথে সাথে বাহিরের শক্তিস্তরে একটি করে পারমানবিক সংখ্যা বাড়তে থাকে। তার মানে একটি করে ইলেকট্রন বাড়তে থাকে। ফলে নিউক্লিয়াসের সাথে আকর্ষন শক্তিও বৃদ্ধি পেতে থাকে। আর পরমানুর আকার ছোট হতে থাকে। 

আবার, একই গ্রুপের উপর থেকে নিচের দিকে যাওয়ার সাথে সাথে একটি করে নতুন শক্তিস্তর বাড়তে থাকে। ফলে নিউক্লিয়াসের সাথে ইলেকট্রনের দূরত্ব বাড়তে থাকে এবং আকর্ষন শক্তি কমতে থাকে। আর আকর্ষন কমতে থাকলে ইলেকট্রন গুলো আর নিউক্লিয়াসের দিকে ঝুঁকে যায় না, বরং দূরে সরে যায়। ফলশ্রুতে ক্রমান্বয়ে পরমানুর আকার হ্রাস পায়। 

তাই, একই পর্যায়ের বাম থেকে ডানে গেলে পারমানবিক আকার হ্রাস পায় এবং একই গ্রুপের উপর থেকে নিচে গেলে পারমানবিক আকার বৃদ্ধি পায়। 


যেভাবে প্রশ্ন আসতে পারেঃ

(এখানে, পারমানবিক আকারের জন্য একটি নমুনা প্রশ্ন ও উত্তর দেখানো হলো। এভাবে পারমানবিক আকার থেকে আরও প্রশ্ন হতে পারে। সেগুলোর উত্তরও এই প্রশ্নটির উত্তরের মতো লিখবে।)


প্রশ্নঃ A, B, C ও D মৌলের পারমানবিক আকারের ক্রম বিশ্লেষণ কর। 
(A, B, C ও D প্রচলিত অর্থে কোনো মৌল নয়।)

উত্তরঃ 
(যেকোনো প্রশ্নের শুরুতে এই কথাটি লিখবে। অর্থাৎ প্রশ্নে যা বলবে সেটা নিচে ব্যাখ্যা / আলোচনা করা হলো।)
উদ্দীপকের চিত্রের A, B, C ও D মৌল চারটি যথাক্রমে সালফার (S), ফসফরাস (P), পটাসিয়াম (K) ও ফ্লোরিন (F)। নিম্নে মৌল চারটির পারমানবিক আকারের ক্রম ব্যাখ্যা করা হলো। 

(যে টপিক নিয়ে আলোচনা করতে বলবে সেটার সংজ্ঞা দিবে।)
আমরা জানি, পরমানুর নিউক্লিয়াস থেকে সর্বশেষ শক্তিস্তর পর্যন্ত দূরত্বকে পারমানবিক আকার বা পারমানবিক ব্যাসার্ধ বলে। আর, একই পর্যায়ে বাম থেকে ডান দিকে গেলে পারমানবিক আকার হ্রাস পায়।

(আলোচনার মূল বিষয়টি সম্পর্কে কিছু কথা লিখবে (কারন / সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা)। তবে এখানে উদ্দীপকের উদাহরণগুলো আনার প্রয়োজন নেই।)

কারন, আমরা জানি, পরমানুর নিউক্লিয়াসকে এর বাহিরের শক্তিস্তরের ইলেকট্রনগুলো আকর্ষন করতে থাকে। ইলেকট্রন সংখ্যা যত বেশি হয়, আকর্ষন শক্তি তত বেশি হয়। আর আকর্ষন যত বেশি হয় ইলেকট্রনগুলো ততোই নিয়ক্লিয়াসের দিকে ঝুঁকে যেতে থাকে। অর্থাৎ পরমানুর আকার ছোট হতে থাকে। 

আবার, পর্যায় সারণিতে একই পর্যায়ের বাম থেকে ডানে যাওয়ার সাথে সাথে বাহিরের শক্তিস্তরে একটি করে পারমানবিক সংখ্যা বাড়তে থাকে। তার মানে একটি করে ইলেকট্রন বাড়তে থাকে। ফলে নিউক্লিয়াসের সাথে আকর্ষন শক্তিও বৃদ্ধি পেতে থাকে। আর পরমানুর আকার ছোট হতে থাকে।

(এবারে উদ্দীপকের উদাহরণ ও উপরের আলোচনার সাথে মিল রেখে কিছু কথা লিখবে।)

উদ্দীপকের ৪টি মৌলের মধ্যে পটাসিয়াম (K) পর্যায়ের ক্ষেত্রে সর্ববামে এবং গ্রুপের ক্ষেত্রে সবার নিচে হওয়ার কারনে এটির আকার সবচেয়ে বড়। 

আবার ফসফরাস () ও সালফার এর ক্ষেত্রে ফসফরাস বামে ও সালফার ডানে অবস্থিত। তাই ফসফরাস এর চেয়ে সালফারের আকার ছোট। P > S

ফ্লোরিন সর্বডানে এবং সবার উপরে হওয়ার কারনে এর আকার সবচেয়ে ছোট। 

(সকল আলোচনার পরে মূল ফলাফল এখানে লিখবে।)

সুতরাং মৌল চারটির পারমানবিক আকারের ক্রম হবেঃ

K > P > S > F 

(পরিশেষে প্রশ্নের কথাটাই আবার নিচের মতো করে লিখবে।)

অতএব, উপরোক্ত আলোচনাই হচ্ছে A, B, C, D অর্থাৎ S, F, P, F এর পারমানবিক আকারের ক্রম ব্যাখ্যা। 

Share:

Wednesday, March 9, 2022

পর্যায় সারণি থেকে যত উপায়ে জ্ঞানমূলক প্রশ্ন হতে পারে | রসায়ন | ৪র্থ অধ্যায় | ৯ম-১০ম শ্রেণি

🔘 পর্যায় সারণি কাকে বলে?

Good: ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের উপর ভিত্তি করে মৌলগুলোকে যে সারণিতে স্থান দেয়া হয় তাকে পর্যায় সারণি বলে।

Best: বিভিন্ন মৌলের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের মিল ও অমিল এবং এসব ধর্মের ক্রম পরিবর্তন দেখানোর জন্য মৌলগুলোকে যে সারণিতে স্থান দেয়া হয় তাকে পর্যায় সারণি বলে। 


🔘 ল্যান্থানাইড সারি কী?

৫৭ থেকে ৭১ পারমানবিক সংখ্যা বিশিষ্ট মৌলসমূহ পর্যায় সারণির নিচে যে সারিতে অবস্থান করে তাকে ল্যান্থানাইড সারি বলে। 

৫৭ থেকে ৭১ পারমানবিক সংখ্যা বিশিষ্ট ১৫টি ধাতব মৌলিক পদার্থকে পর্যায় সারণির নিচে একটি সারিতে অবস্থান দেয়া হয়। একে ল্যান্থানাইড সারি বলে। 


🔘 ল্যান্থানাইড মৌল কী?

৫৭ থেকে ৭১ পারমানবিক সংখ্যা বিশিষ্ট মৌলসমূহ পর্যায় সারণির নিচে যে সারণিতে অবস্থান করে তাকে ল্যান্থানাইড সারি বলে। ল্যান্থানাইড সারিতে অবস্থানরত মৌলগুলোকে ল্যান্থানাইড মৌল বলে।   


🔘 অ্যাকটিনাইড সারি কী?

৮৯ থেকে ১০৩ পারমানবিক সংখ্যা বিশিষ্ট মৌলসমূহ পর্যায় সারণির নিচে যে সারণিতে অবস্থান করে তাকে ল্যান্থানাইড সারি বলে।

৮৯ থেকে ১০৩ পারমানবিক সংখ্যা বিশিষ্ট ১৫টি ধাতব মৌলিক পদার্থকে পর্যায় সারণির নিচে একটি সারিতে অবস্থান দেয়া হয়। একে অ্যাকটিনাইড সারি বলে। 


🔘 অ্যাকটিনাইড মৌল কী?

৮৯ থেকে ১০৩ পারমানবিক সংখ্যা বিশিষ্ট মৌলসমূহ পর্যায় সারণির নিচে যে সারণিতে অবস্থান করে তাকে ল্যান্থানাইড সারি বলে। অ্যাকটিনাইড সারিতে অবস্থানরত মৌলগুলোকে অ্যাকটিনাইড মৌল বলে।   


🔘 ধাতু কাকে বলে?

যেসব উপাদান সাধারণত তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী, আঘাত করলে ঝনঝন শব্দ হয়, পিটিয়ে পাত তৈরি করা যায়, ঘষলে চকচক করে সেসব উপাদানকে ধাতু বলে


🔘 অধাতু কাকে বলে?

যেসব উপাদান সাধারণত তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়, আঘাত করলে ঝনঝন শব্দ হয় না, পিটিয়ে পাত তৈরি করা যায় না, ঘষলে চকচক করে না সেসব উপাদানকে অধাতু বলে


🔘 পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কী?

পর্যায় সারণির একই পর্যায় বা একই গ্রুপের মৌলসমূহের পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাদের যেসব ধর্ম ক্রমান্বয়ে পরিবর্তিত হয় তাদেরকে পর্যায় ভিত্তিক ধর্ম বলা হয়।


🔘 ধাতব ধর্ম কী?

আমরা জানি, ধাতু সমূহ এক বা একাধিক ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধণাত্মক আয়নে পরিণত হয়। ধাতুর ইলেকট্রন ত্যাগের এই ধর্মই হচ্ছে ধাতব ধর্ম


🔘 অধাতব ধর্ম কী?

আমরা জানি, অধাতু সমূহ এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়নে পরিণত হয়। অধাতুর ইলেকট্রন গ্রহণের এই ধর্মই হচ্ছে অধাতব ধর্ম


🔘 পারমানবিক আকার / ব্যাসার্ধ কী?

পরমানুর নিউক্লিয়াস থেকে এর যোজ্যতা স্তর বা সর্বশেষ শক্তিস্তর পর্যন্ত দূরত্বকে পারমানবিক আকার / পারমানবিক ব্যাসার্ধ বলে। 


🔘 আয়নিকরণ শক্তি কী?

গ্যাসীয় অবস্থায় এক মোল গ্যাসীয় পরমাণু থেকে এক মোল ইলেকট্রন অপসারণ করে এক মোল ধনাত্মক আয়নে পরিণত করতে যে পরিমাণ শক্তির প্রয়োজন হয়, তাকে ঐ মৌলের আয়নিকরণ শক্তি বলে।


🔘 ইলেকট্রন আসক্তি কী?

গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের এক মোল গ্যাসীয় পরমাণুতে এক মোল ইলেকট্রন প্রবেশ করিয়ে ঋণাত্মক আয়নে পরিণত করলে যে পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে ঐ মৌলের ইলেকট্রন আসক্তি বলে।


🔘 তড়িৎ ঋণাত্মকতা কী?

সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ কোনো অণুতে উপস্থিত দুটি পরমাণুর মধ্যে শেয়ারকৃত ইলেকট্রন যুগলকে একটি পরমাণু নিজের দিকে আকর্ষণ করতে থাকে। আকর্ষন করার এই ক্ষমতাকে তার তড়িৎ ঋণাত্মকতা বলে।


🔘 ক্ষার ধাতু কী?

পর্যায় সারণির গ্রুপ-১ এ অবস্থিত ধাতু সমূহ পানির সাথে সরাসরি বিক্রিয়া করে এবং তীব্র ক্ষার গঠন করে। এদেরকে ক্ষার ধাতু বলে। 


🔘 মৃৎক্ষার ধাতু কী?

পর্যায় সারণির গ্রুপ-২ এ অবস্থিত ধাতু সমূহকে বেশিরভাগ মাটিতে পাওয়া যায়। এদেরকে মৃৎক্ষার ধাতু বলে। 


🔘 মুদ্রা ধাতু কী?

যেসব ধাতুর উপাদান এর সমন্বয়ে ঐতিহাসিকভাবে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহারের প্রচলন ছিলো তাদেরকে মুদ্রা ধাতু বলে। পর্যায় সারণির ১১ নং গ্রুপে অবস্থিত কপার / তামা (Cu), সিলভার / রুপা (Ag), গোল্ড (Au), রন্টজেনিয়াম (Rg) এই চারটি মৌলকে মুদ্রা ধাতু বলে। 


🔘 হ্যালোজেন মৌল কী?

হ্যালোজেন অর্থ লবন উৎপাদনকারী। পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৭ তে অবস্থিত ৬টি মৌলকে হ্যালোজেন মৌল বলে, যাদের মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ।  


🔘 নিষ্ক্রিয় গ্যাস কী?

পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৮ তে অবস্থিত মৌলের পরমাণু সমূহ ইলেকট্রন আদান, প্রদান বা শেয়ারের মাধ্যমে বন্ধন গঠন করে না। তাদেরকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলা হয়।


🔘 অবস্থান্তর মৌল কী?

যে সকল মৌল অন্তঃত এমন একটি আয়ন গঠন করে, যে আয়নের ইলেকট্রন বিন্যাস করলে d অরবিটাল আংশিক পূর্ণ হবে তাদেরকে অবস্থান্তর মৌল বলে। পর্যায় সারণির গ্রুপ-৩ থেকে গ্রুপ-১২ পর্যন্ত মৌলগুলো অবস্থান্তর মৌল। (তবে এদের মধ্যে Sc (21) ও Zn (30) অবস্থান্তর মৌল নয়। 


🔘 অষ্টক তত্ত্ব কী?

পর্যায় সারণীর মৌলগুলােকে তাদের পারমাণবিক ভর অনুযায়ী সাজালে প্রতি অষ্টম মৌলসমূহের ধর্মের মিল দেখা যায়। যা পর্যায় সারণির 'অষ্টক তত্ত্ব' নামে পরিচিত।


🔘 ত্রয়ী সূত্রটি লিখো।

রাসায়নিক ভাবে সাদৃশ্য আছে এমন তিনটি মৌলকে তাদের পারমাণবিক ভর অনুসারে সাজালে ২য় মৌলের পারমানবিক ভর ১ম ও ৩য় মৌলের পারমানবিক ভরের সমান হয়। একে ত্রয়ী সূত্র বা ডোবেরাইনার এর ত্রয়ী সূত্র বলে। আর এই মৌল তিনটিকে 'ডােবেরাইনার ত্রয়ী' বলে।


🔘 আধুনিক পর্যায় সূত্রটি লিখো।

মৌল সমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি তাদের পারমাণবিক ভর বৃদ্ধির সাথে পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়। একে আধুনিক পর্যায় সূত্র বা মেন্ডেলিফের পর্যায় সূত্র বলে। 


🔘 সংশোধিত পর্যায় সূত্রটি লিখো।

মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি তাদের পারমাণবিক সংখ্যা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়। একে মেন্ডেলিফের সংশোধিত পর্যায় সূত্র বলে। 

🔘 IUPAC এর পূর্ণরূপ কী?

International Union of Pure and Applied Chemistry



Share:

Saturday, February 26, 2022

বন্ধন গঠন ব্যাখ্যা | আয়নিক ও সমযোজী বন্ধন | রসায়ন | ৫ম অধ্যায় | ৯ম-১০ম শ্রেণি

আয়নিক বন্ধন

আয়নিক বন্ধন ব্যাখ্যা করার জন্য প্রথমে নিচের যৌগটির ব্যাখ্যা ভালো করে পড়বে। তাহলে এরকম যেকোনো আয়নিক যৌগের ব্যাখ্যা করতে বললে সেগুলো পারবে। 

আয়নিক বন্ধন থেকে আরও যেভাবে প্রশ্ন আসতে পারে তা এই প্রশ্নের নিচের দিকে দেয়া আছে।


NaCl এর মধ্যে কোন ধরণের বন্ধন বিদ্যমান? ব্যাখ্যা কর।

NaCl যৌগে Na ধাতু এবং Cl অধাতু। আমরা জানি, ধাতু ও অধাতুর মধ্যে যে ধরণের বন্ধণ গঠিত হয় তা আয়নিক বন্ধন।

Na ও Cl এর ইলেকট্রন বিন্যাস হলো-

আমরা জানি, কোনো মৌল স্থিতিশীল হওয়ার জন্য এর সর্বশেষ শক্তিস্তরে 8টি বা 2টি ইলেকট্রন থাকতে হবে। উপরের ইলেকট্রন বিন্যাস থেকে দেখা যায়, Na এর সর্বশেষ স্তরে 1টি ইলেকট্রন আছে।  Na এই 1টি ইলেকট্রন ত্যাগ করলে এর আগের শক্তিস্তর সর্বশেষ শক্তিস্তর হয়ে যায় এবং সেখানে 8টি ইলেকট্রন-ই আছে। 


আবার, Cl এর সর্বশেষ শক্তিস্তরে 7টি ইলেকট্রন রয়েছে। তাই এর স্থিতিশীল হওয়ার জন্য আরও 1টি ইলেকট্রন প্রয়োজন। এজন্য সে Na এর ত্যাগকৃত ইলেকট্রনটি গ্রহণ করলে সব মিলিয়ে 8টি ইলেকট্রন হয়ে যায়। অর্থাৎ অষ্টক পূরণ হয়ে যায়। আর স্থিতিশীলতা অর্জন করে।

তাই Na পরমানু 1টি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Na+ ক্যাটায়ন সৃষ্টি করে এবং Cl পরমানু Na এর ত্যাগকৃত ইলেকট্রণটি গ্রহন করে Cl- অ্যানায়ন সৃষ্টি করে।


এভাবে ইলেকট্রন ত্যাগের মাধ্যমে ক্যাটায়ন এবং ইলেকট্রন যোগের মাধ্যমে অ্যানায়ন সৃষ্টি করে কোনো যৌগ গঠিত হলে তাদের মধ্যবর্তী বন্ধনকে আয়নিক বন্ধন বলে।

NaCl এর বন্ধন গঠন চিত্র নিচে দেখানো হলোঃ

অতএব, উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায় যে, NaCl এর মধ্যে আয়নিক বন্ধন বিদ্যমান। 



সমযোজী বন্ধন

Coming...


Share:

Wednesday, February 2, 2022

পর্যায় সারনী থেকে যত উপায়ে সৃজনশীল প্রশ্ন হতে পারে | ৪র্থ অধ্যায় | রসায়ন | ৯ম-১০ম শ্রেণি

পর্যায় সারণি থেকে নিম্নোক্ত টপিক গুলো থেকে প্রশ্ন হতে পারেঃ

১. পর্যায় সারণিতে মৌলের অবস্থান নির্ণয়'

২. পারমানবিক আকার

৩. ইলেকট্রন আসক্তি

৪. আয়নিকরন শক্তি

৫. তড়িৎ ঋণাত্মকতা

৬. ধাতব ক্রম / ধাতব ধর্ম


(প্রতিটি টপিক থেকে যত উপায়ে প্রশ্ন হতে পারে সেগুলো নিচে ধাপে ধাপে দেখানো হলো। প্রতিটি টপিকের ক্ষেত্রে একটি নমুনা প্রশ্নের উত্তর দেয়া আছে। সেটার মতো করে বাকী প্রশ্ন গুলোর উত্তর নিজে প্রাকটিস করবে।)


১. পর্যায় সারণিতে মৌলের অবস্থান নির্ণয়

💠

ইলেকট্রন বিন্যাস উল্লেখপূর্বক পর্যায় সারণিতে D এর অবস্থান নির্ণয় কর। 


💠


ইলেকট্রন বিন্যাসের মাধ্যমে পর্যায় সারণিতে Y এর অবস্থান নির্ণয় কর। 


💠

পর্যায় সারণিতে Y মৌলের অবস্থান নির্ণয় কর। 


২. পারমানবিক আকার

(পারমানবিক আকার কী এবং এটা থেকে কিভাবে প্রশ্নের উত্তর লিখবে সেটা জানতে এখানে ক্লিক করো।)

💠

 

কোন মৌলটির আকার সবচেয়ে বড়? ব্যাখ্যা কর।


💠 


A থেকে B এর দিকে যেতে পারমানবিক আকারের পরিবর্তন ব্যাখ্যা কর। 


💠

X মৌল থেকে R মৌল পর্যন্ত পারমানবিক ব্যাসার্ধ হ্রাস বৃদ্ধির কারন ব্যাখ্যা কর। 


💠 X, Y ও Z তিনটি মৌল যাদের নিয়ক্লিয়াসে 12, 29 ও 18 টি প্রোটন আছে। মৌলগুলোর আকারের ক্রম বিশ্লেষন কর।


💠 


উদ্দীপকের তিনটি মৌলের পারমানবিক ব্যাসার্ধ ও তড়িৎ ঋণাত্মকতার ক্রম একই হবে কী? বিশ্লেষন কর।

💠 

উদ্দীপকের চিত্রদ্বয়ের একটি উল্লিখিত মৌলগুলোর আয়নিকরন শক্তি ও অপরটি আকারের পরিবর্তন প্রকাশ করে - বিশ্লেষন কর। 

💠

X, Y, Z মৌল তিনটির পারমানবিক আকারের ক্রম বিশ্লেষণ কর। 

💠
উদ্দীপকের X, Y, Z মৌলগুলোর মধ্যে কোনটির পারমানবিক ব্যাসার্ধ তুলনামূলক কম? বিশ্লেষণ কর। 

💠

উদ্দীপকের মৌল তিনটির পারমানবিক আকার ও ইলেকট্রন আসক্তি ভিন্ন কি? বিশ্লেষণ কর। 


💠

পর্যায়ের কথা বিবেচনা করে ১ম বৃত্তের মৌলগুলোর আকারের ক্রম বিশ্লেষণ কর। 


ইলেকট্রন আসক্তি

💠

উদ্দীপকের পর্যায়ের বাম থেকে ডানে গেলে ইলেকট্রন আসক্তির মানের পরিবর্তন হয়- বিশ্লেষন করো। 

💠

উদ্দীপকের মৌল তিনটির পারমানবিক আকার ও ইলেকট্রন আসক্তি ভিন্ন কি? বিশ্লেষণ কর। 


আয়নিকরন শক্তি

💠

A থেকে C এর দিকে যেতে আয়নিকরন শক্তির মানের পরিবর্তন বিশ্লেষন কর।


💠

উদ্দীপকের চিত্রদ্বয়ের একটি উল্লিখিত মৌলগুলোর আয়নিকরন শক্তি ও অপরটি আকারের পরিবর্তন প্রকাশ করে - বিশ্লেষন কর। 


💠


A, B, C মৌল তিনটির আয়নিকরন শক্তির ক্রম ব্যাখ্যা কর। 


💠

যুক্তিসহ A, B, C এর আয়নিকরণ শক্তির তুলনা কর। 


💠

D, L, X মৌলের আয়নিকরন শক্তির ক্রম বিশ্লেষন কর। 



তড়িৎ ঋণাত্মকতা
💠

উদ্দীপকের তিনটি মৌলের পারমানবিক ব্যাসার্ধ ও তড়িৎ ঋণাত্মকতার ক্রম একই হবে কী? বিশ্লেষন কর। 

💠

২য় বৃত্তের কোন মৌলের তড়িৎ ঋণাত্মকতা সবচেয়ে বেশি তা পরমানুর আকারের সাহায্যে বিশ্লেষণ কর। 


ধাতব ক্রম / ধাতব ধর্ম

💠


A গ্রুপের মৌলগুলোর ধাতব ক্রম ব্যাখ্যা কর। 

Share:

Wednesday, January 12, 2022

পদার্থের গঠন থেকে যত উপায়ে সৃজনশীল প্রশ্ন হতে পারে | ৩য় অধ্যায় | রসায়ন | ৯ম-১০ম শ্রেণি

পরমানুর মডেলঃ

১) রাদারফোর্ডের পরমানু মডেল বর্ণনা করো। 

অথবা, রাদারফোর্ডের পরমানু মডেলের প্রস্তাব সমূহ ব্যাখ্যা কর। 

অথবা, রাদারফোর্ডের পরমানু মডেলের সীমাবদ্ধতা বর্ণনা করো। 

২) বোরের পরমানু মডেল বর্ণনা করো। 

৩) বোর পরমানু মডেলের সাফল্য বর্ণনা করো। 

৪) বোর পরমানু মডেলের সীমাবদ্ধতা বর্ণনা করো।  

৫) রাদারফোর্ড ও বোর পরমানু মডেলের মধ্যে কোনটি অধিকতর উন্নত? 

অথবা, কোন মডেলটি পরমানুর গঠনকে সফলভাবে বর্ণনা করতে পারে? 


অসম্পূর্ণ চিত্র দেখে বুঝতে হবে কোনটা কোন পরমানু মডেল। যেমনঃ  

উপরের চিত্রে A রাদারফোর্ড ও B বোর এর পরমানু মডেল। 


উপরের চিত্রটি বোর পরমানু মডেল এর। 


উপরের চিত্রে A রাদারফোর্ড ও B বোর পরমানু মডেল। 

 

ইলেকট্রন বিন্যাসের ব্যতিক্রমতা 

১) K এর 19 তম ইলেকট্রনটি 3d অরবিটালে না গিয়ে 4s অরবিটালে যায় কেন?

অথবা, K এর সর্বশেষ ইলেকট্রনটি 3d অরবিটালে না গিয়ে 4s অরবিটালে যায় কেন? ব্যাখ্যা কর। 

অথবা, K এর ইলেকট্রন বিন্যাস সাধারণ নিয়ম থেকে ব্যতিক্রম কেন? ব্যাখ্যা কর। 

অথবা, K এর 3d অরবিটাল ফাঁকা কেন?

এরকম আরও মৌলঃ Sc(21), 


২) Cu এর ইলেকট্রন বিন্যাস সাধারণ নিয়ম থেকে ব্যতিক্রম কেন? ব্যাখ্যা কর। 

এরকম আরও মৌলঃ Cr(24)


আপেক্ষিক বা গড় পারমানবিক ভর নির্ণয় 

১)

উদ্দীপকের মৌলটির আপেক্ষিক পারমানবিক ভর নির্ণয় কর। 


২)


উদ্দীপকের যে দুটি মৌলের মধ্যে আইসোটোপীয় ধর্ম বিদ্যমান তাদের গড় পারমানবিক ভর নির্ণয় করো।


Share:

Monday, January 10, 2022

একটি CV থেকে অনেকগুলো CV লেখার উপায় | SSC | HSC

(1st Page)

Cover Letter

10 May 2023 (এই তারিখটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখের ২ থেকে ৫ দিন পরের তারিখ দিবে)

The CEO / Manager (প্রশ্নে যার কাছে CV লিখতে বলবে তার পদবী নাম দিবে) 

XYZ Soft International (প্রশ্নে যে কোম্পানির নাম দেয়া থাকবে তার নাম দিবে)

125/N Dhanmondi, Dhaka (প্রশ্নে কোম্পানির ঠিকানা দেয়া থাকলে সেটা দিবে)

Subject: Application for the post of... (যে পদের জন্য আবেদন করতে বলা হবে তার নাম)


Sir, 

Your job advertisement published in the Daily Star (প্রশ্নে অন্য কোনো পত্রিকার নাম দেয়া থাকলে সেটা দিবে) on 7th May 2023 has drawn my attention. I would like to apply for the position of the post. I believe working in a reputed organization like yours will provide me excellent opportunities for my career growth in this field. I am confident that if provided the opportunity to serve your organization, I will prove myself as an important asset to your organization. My educational qualification and other important particulars are submitted below for your kind consideration. 


May I therefore pray and hope that you would be kind enough to grant me a request for an interview at your convenience. 


Thank you, Sir

Yours faithfully, 

Othoi (এখানে শুধু নিকনেইম দিলেই হবে)


Enclosures:

1. Curriculum Vitae

2. Required Copies of the Photograph

3. All certificates of academic results and experiences




(2nd Page)

Curriculum Vitae

Personal Details:

Name                     : Lamiya Yeasmin Othoi

Father's Name        : Md. Matiul Islam Milon

Mother's Name      : 

Present Address     : Amtola, Barishal Sadar, Barishal

Permanent Address: Betagi, Barguna
Nationality             : Bangladeshi

Date of Birth          : 3 January 1998

Religion                 : Islam

Sex                         : Female

Marital Status         : Unmarried

Blood Group           : A+

Contact                   : 01709......56

(কোলন গুলো সোজা দেয়ার চেষ্টা করবে)


Educational Qualification:


Experiences: 

I'm working as a 'Senior Marketer' at ABC international since 2018


Skills:

Language: Bangla and English, excellent both in speaking and writing

Computer: Microsoft Office, Microsoft Windows OS, Adobe Photoshop, Adobe Illustrator, Internet/email / web browsing.


Interests: 

Reading novels, visiting, drawing & playing Chess.  


References: 

1. Dr. Tanvir Ahmed

Assistant Professor, Dept. of CSE, University of Dhaka

Email: tanvir.cse.du@gmail.com

Cellphone: 01713......98  


2. Soyebur Rahman

Lecturer, Dept. of CSE, University of Dhaka

Email: soyeb.cse.du@gmail.com

Cellphone: 01613......87


Hereby I honorably declare that the above information is true and correct to the best of my knowledge. 


Yours Faithfully, 

Lamiya Yeasmin Othoi


Share:

Saturday, January 1, 2022

ধাতুর সক্রীয়তা সিরিজ মনে রাখার উপায় | রসায়ন


ছন্দঃ
"লি কে ক না মাঝি এলো যেন ফিরে নি সানি পাবি হায় কেয়া হাজি আজি আয়" 

(রসায়ন বোর্ড বইঃ ১৮৫ পৃষ্ঠার টেবিল, ৯ম-১০ম শ্রেণি)


লি = Li (লিথিয়াম)

কে = K (পটাশিয়াম)

ক = Ca (ক্যালশিয়াম)

না = Na (সোডিয়াম)

মাঝি = Mg (ম্যাগনেশিয়াম) 

এলো = Al (অ্যালুমিনিয়াম)

যেন = Zn (জিংক) 

ফিরে = Fe (আয়রন)

নি = Ni (নিকেল)

সানি = Sn (টিন)

পাবি = Pb (লেড)

হায় = H (হাইড্রোজেন)

কেয়া = Cu (কপার)

হাজি = Hg (মার্কারি)

আজি = Ag (সিলভার)

আয় = Au (গোল্ড)

Share:

Wednesday, December 29, 2021

ভেক্টর ও স্কেলার রাশি সমূহ মনে রাখার উপায় | পদার্থবিজ্ঞান

তুমি শুধুমাত্র সব ভেক্টর রাশিগুলো মনে রাখতে পারলেই স্কেলার রাশিও মনে রাখতে পারবে। কারন ভেক্টর রাশি বাদে অন্য সব রাশি-ই হবে স্কেলার রাশি। তাই ভেক্টর রাশি মনে রাখার কৌশলটি জানতে হবে। 


নিচের ছন্দটির মাধ্যমে প্রায় পরিচিত সকল ভেক্টর রাশিগুলোই মনে রাখা সম্ভব। 


ছন্দঃ "ভবে সব পৃও তম ভাসে প্রেমে" 

  = ভরবেগ (ভর কিন্তু ভেক্টর রাশি নয় , ভর স্কেলার রাশি)

বে = বেগ 

= সরন

= বল 

পৃ = পৃষ্ঠটান (যেকোনো ধরণের পৃষ্ঠটান, সেটা তরলের বা গ্যাসের যার-ই হোক না কেন।)

= ওজন 

= ত্বরণ 

= মন্দন 

ভা = ভ্রামক (যেকোনো ধরণের ভ্রামক। যেমনঃ বলের ভ্রামক, চৌম্বকের ভ্রামক ইত্যাদি। তবে জড়তার ভ্রামক স্কেলার রাশি।)

সে = সান্দ্রতা 

প্রে = প্রাবাল্য (যেকোনো ধরণের প্রাবাল্য। যেমনঃ তড়িৎ প্রাবাল্য, চৌম্বক প্রাবাল্য, বৈদ্যুতিক প্রাবাল্য, ভূ চৌম্বকের আনুভূমিক প্রাবাল্য ইত্যাদি।) 

মে = মন্দন (আগেই এটা বলা হয়েছে)



Share:

Saturday, December 18, 2021

জীবকোষ ও টিস্যু থেকে যত উপায়ে জ্ঞানমূলক প্রশ্ন হতে পারে | ২য় অধ্যায় । জীববিজ্ঞান | ৯ম-১০ম শ্রেণি

কোষ কাকে বলে?

জীবদেহের গঠন ও কাজের একককে কোষ বলে।


কোষপ্রাচীর কী?

উদ্ভিদ কোষের সর্বাপেক্ষা বাহিরের দিকে যে আবরন / পর্দা থাকে তাকে কোষপ্রাচীর বলে।


কোষঝিল্লী কাকে বলে?

প্রোটোপ্লাজমের বাহিরে দুই স্তর বিশিষ্ট পর্দাকে কোষঝিল্লী বলে। 


প্রোটোপ্লাজম কাকে বলে?

কোষের ভিতরে অর্ধস্বচ্ছ ও জেলির মতো পদার্থকে প্রোটোপ্লাজম বলে। 


সাইটোপ্লাজম কাকে বলে?

প্রোটোপ্লাজম থেকে নিউক্লিয়াসকে বাদ দিলে যে জেলির মতো বস্তু থেকে যায় তাকে সাইটোপ্লাজম বলে।


মাইটোকন্ড্রিয়া কাকে বলে?

কোষের ভিতরে যে অঙ্গানুর মধ্যে শক্তি উৎপন্ন হয় হয় তাকে মাইটোকন্ড্রিয়া বলে। 


প্লাস্টিড কাকে বলে?

উদ্ভিদ কোষের মধ্যে যে অঙ্গানুটি খাদ্য প্রস্তুত করে এবং দেহকে বর্ণময় ও আকর্ষনীয় করতে সাহায্য করে তাকে প্লাস্টিড বলে। 


ক্লোরোপ্লাস্ট কাকে বলে?

যে প্লাস্টিডের রঙ সবুজ তাকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে।


ক্রোমোপ্লাস্ট কাকে বলে?

যে প্লাস্টিডের রঙ সবুজ নয়, তবে রঙিন তাকে ক্রোমোপ্লাস্ট বলে।


লিউকোপ্লাস্ট কাকে বলে?

যে প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না তাকে লিউকোপ্লাস্ট বলে। 


এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম কাকে বলে?

কোষের সাইটোপ্লাজমে জালিকার মতো যেসব মসৃন বা অমসৃন অঙ্গানু গুলো দেখা যায় তাদেরকে এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম বলে।


কোষগহবর কাকে বলে?

কোষের মধ্যে যে আপাত ফাঁকা স্থান দেখা যায় তাকে কোষ গহবর বলে। 


লাইসোজোম কাকে বলে?

যে অঙ্গানুটি কোষকে বিভিন্ন জীবানুর আক্রমন থেকে রক্ষা করে তাকে লাইসোজোম বলে। 


রাইবোজোম কাকে বলে?

কোষের যে অঙ্গানু গুলো প্রোটিন সংশ্লেষনে সাহায্য করে তাদেরকে রাইবোজোম বলে।  


সেন্ট্রিওল কাকে বলে?

প্রাণিকোষের নিউক্লিয়াসের কাছে দুটি ফাঁপা দন্ডের মতো অঙ্গানু দেখা যায়। তাদেরকে সেন্ট্রিওল বলে।


সেন্ট্রোপ্লাজম কাকে বলে?

সেন্ট্রিওলের চারপাশে অবস্থিত তরল পদার্থকে সেন্ট্রোপ্লাজম বলে। 


সেন্ট্রোজোম কাকে বলে?

সেন্ট্রোপ্লাজম সহ সেন্ট্রিওলকে একত্রে সেন্ট্রোজোম বলে। 


নিউক্লিয়াস কাকে বলে?


[Not Completed Yet]

Share:

Saturday, November 6, 2021

পর্যায় সারণি থেকে যত উপায়ে MCQ হতে পারে | ৪র্থ অধ্যায় । রসায়ন | ৯ম-১০ম শ্রেণি


শুরুতে কিছু কথাঃ

ই ব্লগটিকে সাজেশন বললে ভুল হবে। কারন এখানে আমি কোনো সংক্ষিপ্ত বা শর্টকাট এমন কিছু দিয়ে রাখিনি যা থেকে হুবহু পরীক্ষায় কমন আসবে। শর্টকাট কোনো সাজেশন বলতে নিজ অনুমানের উপর নির্ভর করে কিছুটা আন্দাজ করে যেকোনো বিষয়ে লেখাকে বুঝায়। কিন্তু আমি এরকম ধরণের সাজেশনকে যথেষ্ঠ যুক্তিযুক্ত বা কার্যকরী মনে করি না। এতে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তার চেয়ে বরং রিসার্স করে সাজিয়ে গুছিয়ে টেকনিক্যালি একটু বেশি সময় নিয়ে পড়লেও সেটা বেশি উপযুক্ত হবে বলে আমি মনে করি।


এখানে, 'পর্যায় সারণি' অধ্যায়ের বহুনির্বাচনী (MCQ) প্রশ্ন নিয়ে লেখা হয়েছে। বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন বোর্ড, শীর্ষ স্থানীয় স্কুলের টেস্ট পরীক্ষা ও মাস্টার ট্রেইনার কর্তৃক প্রণীত বিভিন্ন প্রশ্নে এই অধ্যায় থেকে এখন পর্যন্ত যত ধরণের MCQ এসেছে সেগুলো এবং এর সাথে পাঠ্য বই যাচাই-বাছাই করে সব ধরণের টপিক আলাদা ভাবে একত্রিত করার চেষ্টা করেছি।


সাধারণত গাইডগুলোতে একসাথে শত শত MCQ দেয়া থাকে এবং সেগুলো বার বার রিপিট হতে থাকে। তাই একই টপিকের উপর ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারবার প্রশ্ন থাকার কারনে শিক্ষার্থীদের জন্য মূল কন্সেপ্ট ক্যাচ করা কঠিন হয়ে পরে। এজন্য আমি দীর্ঘ সময় নিয়ে এই অধ্যায় থেকে MCQ এর সবগুলো বিষয়কে আলাদা আলাদা ভাবে ব্যাখ্যা সহ উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। আশা করি কোনো শিক্ষার্থী এই ব্লগের সবগুলো টপিক সঠিক ভাবে প্রাকটিস করলে যেকোনো পরীক্ষায় ৯৭ থেকে ১০০ শতাংশ MCQ কমন পাবে, ইন শা আল্লাহ।


[ব্লগটি স্বচ্ছ ও কার্যকরী হওয়ার জন্য আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তারপরও কোথাও কোনো ভুল-ত্রুটি দেখলে অথবা আপডেট বা ইম্প্রুভ করা উচিত এমন কিছু পেলে অনুগ্রহ করে কমেন্ট বক্সে জানানোর অনুরোধ রইলো।]

- ওবায়দুল হাসান নাঈম


সরাসরি পাঠ্যবই থেকে যা যা পড়তে হবে

পাঠ্যবই থেকে পড়ার জন্য এই পিডিএফ এর ৪র্থ অধ্যায়ে গিয়ে দাগানো (আন্ডারলাইন করা) অংশগুলো এবং এই টাইপের অন্যান্য প্রশ্ন গুলো খুব ভালো করে দেখবে।

পিডিএফ-টি দেখতেঃ Click Here

বিঃ দ্রঃ

এই পিডিএফ এ যে অংশ গুলো লাল দাগ দিয়ে আন্ডারলাইন করা আছে সেগুলো বিগত বছরের বিভিন্ন বোর্ড পরীক্ষায় এসেছে। আর যেগুলো গোলাপী দাগ দিয়ে আন্ডারলাইন করা আছে সেগুলো বিগত বছরের বিভিন্ন শীর্ষ স্থানীয় স্কুলের টেস্ট পরীক্ষায় এসেছে


এছাড়া আরও পড়বেঃ

🔲 ৬১ পৃষ্ঠায় 4.1 এর ‘পর্যায় সারণির পটভূমি’ অংশটি


🔲 ৬৪ পৃষ্ঠায় 4.2 এর ‘পর্যায় সারণির বৈশিষ্ট্য’ অংশটি 


এখান থেকে যেভাবে প্রশ্ন হতে পারেঃ

Q. ৬ষ্ঠ পর্যায়ে কতটি মৌল আছে?

A. 32টি

Q. ৩য় গ্রুপে কতটি মৌল আছে?

A. 32টি


🔲 এছাড়া ল্যান্থানাইড ও অ্যাক্টিনাইড সারি থেকে প্রশ্ন হতে পারে।

যেমনঃ

ল্যান্থানাইড সারিতে, 

সর্বপ্রথম মৌলঃ La(57)

সর্বশেষ মৌলঃ Lu(71)

মোট মৌলঃ 15টি


অ্যাক্টিনাইড সারিতে, 

সর্বপ্রথম মৌলঃ Ac(89)

সর্বশেষ মৌলঃ Lr(103)

মোট মৌলঃ 15টি


দুটো সারি মিলিয়ে মোট মৌলঃ 30টি

এই সারি দুটো ৬ ও ৭ নং পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত।

এই সারি দুটো ২নং গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত।


🔲 ৬৬ পৃষ্ঠায় 4.3 অংশটি থেকে কোনো মৌলের অবস্থান নির্ণয়ের উপায়গুলো জানতে হবে।



[পাঠ্যবই থেকে উপরের টপিকগুলো পড়ার পরে নিচের টপিকগুলো প্রাকটিস করতে হবেঃ]


পারমানবিক সংখ্যা  

🔲নিচের মৌলগুলোর পারমানবিক সংখ্যা মুখুস্থ করতে হবেঃ

> ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত পারমানবিক সংখ্যা বিশিষ্ট মৌলগুলো 

​> নিষ্ক্রিয় গ্যাস অর্থাৎ ১৮নং গ্রুপের মৌলগুলো


🔲 ​আরও কিছু মৌলের পারমানবিক সংখ্যা মুখস্থ রাখতে হবে। যেমনঃ

As (আর্সেনিক) - 33

Br (ব্রোমিন) - 35

Ag (সিলভার) - 47

I (আয়োডিন) - 53

Ir (ইরিডিয়াম) - 77

Au (গোল্ড) - 79

Hg (মার্কারি) - 80

Pb (লেড) - 82

Mt (মিটরেনিয়াম) - 109


যেভাবে প্রশ্ন আসতে পারেঃ 

সরাসরি মৌলের পারমানবিক সংখ্যা জিজ্ঞাসা করতে পারে।

যেমনঃ

Q. গোল্ড এর পারমানবিক সংখ্যা কত?

A. 79 

Q. 80 পারমানবিক সংখ্যা বিশিষ্ট মৌলের নাম কী?

A. মার্কারি (Hg)



পারমানবিক ভর 

🔲 ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত পারমানবিক সংখ্যা বিশিষ্ট মৌলগুলোর ভর সংখ্যা মুখুস্থ রাখতে হবে।


যেভাবে প্রশ্ন আসতে পারেঃ 

সরাসরি মৌলের ভর সংখ্যা জিজ্ঞাসা করতে পারে।

যেমনঃ 
Q. সোডিয়ামের ভর সংখ্যা কত? 
A. 23


ইলেকট্রন বিন্যাস

🔲 ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত পারমানবিক সংখ্যা বিশিষ্ট মৌলগুলোর ইলেকট্রন বিন্যাস ভালো করতে জানতে হবে।


🔲 ব্যতিক্রমধর্মী মৌলগুলোর ইলেকট্রন বিন্যাস কারন সহ জানতে হবে।  

বিশেষ করে এই মৌলগুলো অবশ্যইঃ K(19), Sc(21), Cr(24), Cu(29)


🔲 কোনো মৌলের নির্দিষ্ট কোনো উপশক্তিস্তরের ইলেকট্রন বিন্যাস কেমন তা জিজ্ঞাসা করতে পারে। যেমনঃ 

Q. Cu এর সর্বশেষ উপশক্তিস্তরের ইলেকট্রন বিন্যাস কী?
A. 4S^1

Q. K এর 19 তম ইলেকট্রনটি যে উপশক্তিস্তরে প্রবেশ করে তার ইলেকট্রন বিন্যাস কী?

A. 4S^1 


🔲 নির্দিষ্ট কোনো শক্তিস্তরে (১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ) বা শেলে (K, L, M, N) কতটি ইলেকট্রন আছে সেটি জিজ্ঞাসা করতে পারে।

যেমনঃ 

Q. Cr(24) এর ৩য় শক্তিস্তরে কতটি ইলেকট্রন আছে?

A. 13টি

Q. Sc(21) এর ৩য় শক্তিস্তরে কতটি ইলেকট্রন আছে?

A. 9টি 


আবার,

Q. Cr(24) এর M শেলে কতটি ইলেকট্রন আছে।

A. 13টি

Q. Xe(54) এর N শেলে কতটি ইলেকট্রন আছে।

A. 18টি


🔲 নির্দিষ্ট কোনো ইলেকট্রন কোন শক্তিস্তরে বা উপশক্তিস্তরে অবস্থান করে এ সম্পর্কে প্রশ্ন হতে পারে।

যেমনঃ 

Q. Zn এর সর্বশেষ ইলেকট্রনটি কোন উপশক্তিস্তরে প্রবেশ করে?

A. d উপশক্তিস্তরে

Q. K এর 19 তম ইলেকট্রনটি কোন শক্তিস্তরে এবং কোন উপশক্তিস্তরে প্রবেশ করে?

A. ৩য় শক্তিস্তরে এবং 3d উপশক্তিস্তরে


🔲 আয়ন সমূহের ইলেকট্রন বিন্যাস জানতে হবে।

যেমনঃ 

Ca2+(18) = [আর্গনের ইলেকট্রন বিন্যাসের মতো]

Al3+(10) = [নিয়নের ইলেকট্রন বিন্যাসের মতো]


🔲 যেভাবে প্রশ্ন হতে পারেঃ 
Q. Cl- আয়নে কতটি ইলেকট্রন আছে এবং এর ইলেকট্রন বিন্যাস কার মতো? 
(এটা শুধু Cl না, Cl- আয়ন। মানে এর Cl এর উপরে একটি মাইনাস আছে)
A. 18টি এবং আর্গনের (Ar) মতো


পর্যায় সারনীতে মৌলের অবস্থান নির্ণয়

এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর পারার জন্য পাঠ্য বইয়ের ৬৬ পৃষ্ঠার 4.3 অংশটি ভালো করে দেখতে হবে। 

বিশেষ করে নিচের মৌলগুলোর অবস্থান নির্ণয় (পর্যায় ও গ্রুপ সংখ্যা) ভালো করে জানতে হবে।

Be, Mg, P, S, Cl, K, Ca, Cr, Fe, Co, Ni, Zn, Sr, Pb


🔲 মৌলের কোনো একটি শক্তিস্তরের ইলেকট্রন সংখ্যা বলে দিয়ে এর অবস্থান (পর্যায় বা গ্রুপ) জিজ্ঞাসা করতে পারে। 

যেমনঃ

Q. একটি মৌলের সর্ববহিঃস্থ স্তরে ইলেকট্রন সংখ্যা 8টি হলে এটি পর্যায় সারনীর কোন গ্রুপে অবস্থিত?

A. 18

Q. একটি মৌলের ৩য় শক্তিস্তরে ৩টি ইলেকট্রন আছে। এর গ্রুপ কত?

A. 3


🔲 মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস দিয়ে অবস্থান জিজ্ঞাসা করতে পারে।

যেমনঃ 

Q. একটি মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস 2, 8, 18, 8, 2 হলে পর্যায় সারনীতে এটি কোথায় অবস্থান করে?

A. ৫ম পর্যায়ের ২য় গ্রুপ 




অবস্থান্তর মৌল

গ্রুপ-৩ থেকে ১১ পর্যন্ত মৌলগুলো অবস্থান্তর মৌল।

Important: Fe(28), Ni((28)


🔲 যেভাবে প্রশ্ন হতে পারেঃ

Q. কতগুলো মৌল দিয়ে বলতে পারে এদের মধ্যে কোনটি অবস্থান্তর মৌল?


🔲 অবস্থান্তর মৌলের প্রধান কয়েকটা বৈশিষ্ট্য জানতে হবে

যেমনঃ

- এদের নিজস্ব বর্ণ আছে

- এসব মৌল দ্বারা গঠিত যৌগ আয়নিক

- এরা পরিবর্তনশীল যোজ্যতা প্রদর্শন করে 



ইলেকট্রন সংখ্যা গণনা

🔲 কোনো যৌগে উপস্থিত পরমানু সমূহের কয়টি করে ইলেকট্রন আছে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পারে।

যেমনঃ 

CaS = Ca- 18 টি, S-18টি (উভয় পরমানুই Ar এর ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে)

MgO = Mg- 10টি, O-10টি (উভয় পরমানুই Ne এর ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে)

NaCl = Na-10টি, Cl-18টি

KF = K-18টি, F-10টি


🔲 কোনো আয়নে উপস্থিত ইলেকট্রন সংখ্যা জিজ্ঞাসা করতে পারে।  

Ca+2 = 18টি [Ar এর ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে]

F- = 10টি [Ne এর ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে]

Al+3 = 10টি [Ne এর ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে]

Mg+2 = 10টি [Ne এর ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে]

Fe+2 = 24টি [Cr এর ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে]



মৌলের নাম নির্ণয়

🔲 কোনো গ্রুপ বা পর্যায়ের ধারাবাহিক কয়েকটি মৌলের প্রতীক উঠিয়ে এদের মধ্যে এক / একাধিক মৌলের প্রকৃত প্রতীক উহ্য রেখে বলতে পারে এই মৌলটির নাম কী? 

যেমনঃ K, A, Sc, Ti, V  এখানে, A এর নাম কী? Ans: Ca

H, Li, X, K, Rb এখানে X মৌলের নাম কী? Ans: Na


এই ধরণের প্রশ্নের উত্তর পারার জন্য 

কোন গ্রুপে কোন মৌলগুলো আছে সে সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ছন্দ ব্যবহার করে মৌলগুলোর নাম মুখুস্থ করা যেতে পারে। 

এজন্য এই আর্টিকেলটি পড়তে পারো। 



ধাতু ও অধাতু

🔲 কোনটি অভিজাত ধাতু? এভাবে প্রশ্ন হতে পারে। 

অভিজাত ধাতু মোট ৩টি।

Ag, Au, Pb (আজ সোনা পাবে)


🔲 কোনটি মুদ্রা ধাতু? এভাবে প্রশ্ন হতে পারে।

গ্রুপ-11 এর মৌল Cu, Ag ও Au মুদ্রা ধাতু। (কোথায় আজ আমি)


🔲 ধাতু / অধাতু উভয়ের বৈশিষ্ট্য বহন করেঃ (অপধাতু)

Ge, Bi, Si, As, Sb, Te, B 

(জি বিয়াই শিগগির আসেন, সাবধানে টুলে বসেন) 


🔲 কোনটি ধাতু / অধাতু? এভাবে প্রশ্ন হতে পারে।

ধাতু চেনার প্রধান কয়েকটি উপায়ঃ 

১. অধিকাংশ ক্ষেত্রে যেসব মৌলের নামের শেষে 'আম' শব্দটি থাকে তারা ধাতু হয়। (তবে সব ক্ষেত্রে নয়) 

যেমনঃ সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, স্ট্রনসিয়াম ইত্যাদি ধাতু।  

২. সাধারণত পর্যায় সারণীর বাম দিকের মৌল সমূহ ধাতু এবং ডান দিকের মৌল সমূহ অধাতু।

৩. যেসব মৌল স্থিতিশীল হওয়ার জন্য ইলেকট্রন ত্যাগ করে তারা ধাতু।

যেমনঃ Na স্থিতিশীল হওয়ার জন্য এর 11টি ইলেকট্রন থেকে 1টি ত্যাগ করে এবং Ne(11) এর ইলেকট্রন বিন্যাসের মতো রুপ লাভ করে। তাই Na একটি ধাতু।


🔲 অধাতু চেনার উপায়ঃ 

অধাতুর নিয়মগুলো হবে ধাতুর নিয়মের বিপরীত। তাই যেসব মৌল ধাতু হবে না তারাই অধাতু।


🔲 ধাতু/অধাতু থেকে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন হয় এরকম কিছু মৌলঃ  

ধাতুঃ Na, Mg, Al

অধাতুঃ C


🔲 কোনটি মৃৎক্ষার ধাতু?

গ্রুপ-2 এর মৌলগুলো মৃৎক্ষার ধাতু।

অর্থাৎ Be, Mg, Ca, Sr, Ba, Ra (বিনা মেঘনা কনা স্যারের বাসায় রাঁধে)



যোজনী

🔲 কিছু কিছু গ্রুপের মৌলগুলোর যোজনী জানতে হবে।

যেমনঃ 

Group-1: এর মৌলগুলোর যোজনী 1

Group-2: 2

Group-17: 1

Group-18 বা নিষ্ক্রীয় গ্যাসের 0 



এক পরমানুক ও দ্বি পরমানুক মৌল

সাধারণত Group-18 এর মৌল গুলো এক পরমানুক। He, Ne, Ar, Kr, Xe, Rn 

সাধারণত Group-17 এর মৌলগুলো দ্বারা গঠিত যৌগ দ্বিপরমাণুক। F2, Cl2, Br2, I2



সক্রীয়তা

🔲 ক্ষার ধাতু সমূহের সক্রীয়তার ক্রমঃ 

Fr > Cs > Rb > K > Na > Li > He

যার আয়নিকরন শক্তি বা ইলেকট্রন ত্যাগ করার প্রবণতা তুলনামূলক বেশি তার সক্রীয়তা ততো বেশি।



পর্যাবৃত্ত ধর্ম

পর্যাবৃত্ত ধর্ম বলতে চার ধরনের ধর্মকে বোঝায়।

১. ধাতব ধর্ম

২. পারমানবিক আকার / পারমানবিক ব্যাসার্ধ

৩. আয়নিকরন শক্তি / আয়নিকরন বিভব / আয়নিকরন পটেনশিয়াল 

৪. তড়িৎ ঋণাত্নকতা / ইলেকট্রোনেগিটিভিটি


🔲 এই অংশ থেকে MCQ পারার জন্য শুধুমাত্র নিচের লাইন তিনটা মনে রাখতে হবে।

একই পর্যায়ের বাম থেকে ডানে গেলে পারমানবিক আকার ও ধাতব ধর্ম হ্রাস পায়;

এবং, একই গ্রুপের উপর থেকে নিচে গেলে পারমানবিক আকার ও ধাতব ধর্ম বৃদ্ধি পায়।


বাকী সবগুলোর ক্ষেত্রে (আয়নিকরন শক্তি / ইলেকট্রন আসক্তি / তড়িৎ ঋণাত্নকতা) এই নিয়মের বিপরীত।


যেভাবে প্রশ্ন হতে পারেঃ 

> কতগুলো মৌল দিয়ে বলবে এদের মধ্যে কোনটির তড়িৎ ঋণাত্মকতা সবচেয়ে বেশি বা কম?

যেমনঃ 

Q. Al, Si, P, S, Cl এদের মধ্যে কোনটির তড়িৎঋণাত্নকতা সবচেয়ে বেশি?

A. Cl

এভাবে অন্য যেকোনো পর্যাবৃত্ত ধর্ম থেকে প্রশ্ন হতে পারে।


নিচের মৌলগুলো থেকে তড়িৎ ঋণাত্নকতা দিয়ে বেশি প্রশ্ন আসেঃ

F, S, O, N, Cl, Ca  


নিচের মৌলগুলো থেকে পারমানবিক আকার দিয়ে বেশি প্রশ্ন আসেঃ

K, Si, P, Na, Al, Mg, S, Cl, Ca, Be, Li


নিচের মৌলগুলো থেকে আয়নিকরন শক্তি দিয়ে বেশি প্রশ্ন আসেঃ

Li, K


ত্রয়ী সূত্র

সূত্রঃ ১ম ও ৩য় মৌলের গড় ভর ২য় মৌলের সমান হবে।


🔲 যেভাবে প্রশ্ন হতে পারেঃ

Q. কোন মৌলগুলোর সেট ত্রয়ী সূত্রকে সমর্থন করে?

i) Cl  Br  I

ii) Li  Na  K 

A. উভয়ই

কোন গ্রুপে কোন ধর্মের মৌল থাকে?

Group-1:  ক্ষার ধাতু

Group-2: মৃৎক্ষার ধাতু

Group- 3 থেকে 11: অবস্থান্তর মৌল

Group-11: অভিজাত ধাতু ও মুদ্রা ধাতু

Group- 12 থেকে 17: অধাতু (সাধারণত)

Group-17: হ্যালোজেন

Group-18: নিষ্ক্রীয় গ্যাস / অভিজাত গ্যাস 


 বিবিধঃ 

উপরের টপিকগুলো ছাড়াও আরও কিছু টপিকের উপর প্রশ্ন হতে পারেঃ

যেমনঃ

🔲 কোনো মৌলের নিকটস্থ নিষ্ক্রীয় গ্যাস

F এর নিকটস্থ নিষ্ক্রীয় গ্যাস Ne

Sc এর নিকটস্থ নিষ্ক্রীয় গ্যাস Ar


Share: